নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা) আসনে প্রার্থী ছিলেন মোট ছয়জন। এদের মধ্যে বিজয়ী ও প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া বাকি চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে রাতেই বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৪৪(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট প্রদত্ত বৈধ ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। এবারের নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয়-পরাজয়ের কারণে ফরিদপুর-২ আসনের চারজন প্রার্থী এই শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হওয়ায়, তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা) আসনে মোট ভোটার ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার ৪১ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৯১৬টি। প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ২৬ হাজার ৮৬৫ ভোট।
ফরিদপুর-২ আসনে এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওয়ায়েদ ইসলাম রিংকু ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ মো. আকরাম আলী ধলা হুজুর রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৩০৫ ভোট।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা ও সালথা উপজেলা) আসনের প্রার্থী শাহ মো. জামাল উদ্দীন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) হাতপাখা প্রতীকে ২ হাজার ৩৬৮ ভোট,
ফারুক ফকির (গণঅধিকার পরিষদ) ট্রাক প্রতীকে ৬৭৫ ভোট, আকরামুজ্জামান (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে ৬১৭ ভোট এবং মো. নাজমুল হাসান (বাংলাদেশ কংগ্রেস) ডাব প্রতীকে ২৫৭ ভোট পান। এই চারজন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা জানান, যারা নির্ধারিত ভোটের কম পেয়েছেন, তাদের জামানতের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন