নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি.
ঢাকার নবাবগঞ্জে একটি ধর্ষণ মামলায় বাদীকে না জানিয়ে স্থানীয় আলমাছ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমাছ উদ্দিনকে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)-এর বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার বাগমারার একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ তুলে ধরা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের কন্যা আফসানা মিম, লিখিত বক্তব্য পাঠ করে।
অভিযোগ করে জানান, সম্প্রতি দায়ের করা একটি ধর্ষণ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নবাবগঞ্জ থানার এসআই মনির। তারা অভিযোগ করেন, মামলার বাদীকে না জানিয়ে এবং যথাযথ তদন্ত ছাড়াই স্থানীয় স্কুল শিক্ষক আলমাছ উদ্দিনকে মামলার সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আড়াল করতে নিরীহ একজন শিক্ষককে হয়রানি করা হচ্ছে। তারা দ্রুত এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আলমাছ উদ্দিন বলেন, “আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ। ব্যক্তিগতভাবে আমাকে হয়রানি করার জন্যই এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। আমি এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”
সম্মেলনে স্কুল শিক্ষক আলমাছ উদ্দিনের স্ত্রী রেহানা বেগম, ছোট মেয়ে আমেনা বেগম, একমাত্র ছেলে রাব্বি হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত এসআই মনির এবিষয়ে বলেন, ‘মামলা আমি নেইনি ওসি স্যার নিয়েছেন। আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ মিথ্যা।’
স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন