সংবাদ শিরোনাম

নবাবগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্র বলৎকার; শিক্ষককে ধরে পুলিশে দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক.

ঢাকার নবাবগঞ্জে ছুটিতে থাকা ছাত্রকে মাদ্রাসায় ডেকে এনে জোরপূর্বক বলৎকারের পরে পালিয়ে যাবার সময় মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান (স্বাধীন) নামে এ শিক্ষককে পুলিশে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বান্দুরা এলাকার একটি মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে দোহার থানা এলাকার একটি বাসস্ট্যান্ড থেকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় জনতা।
 
পুলিশ ‍ও ভিকটিম সূত্র জানায়, শুক্রবার ছুটির দিন বিকেলে বান্দুরা এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক  মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান (স্বাধীন) ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ফোন করে মাদ্রাসায় ডেকে নেয়। ছাত্র সেখানে গিয়ে দেখে সেখানে আর কোনো ছাত্র নেই। এসময় ওই শিক্ষক তাকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে নিয়ে তার শরীরে চুলকায়ে দিতে বলে। তখন সে স্যারের কথা মতো কাজ করে। এক পর্যায়ে সে রুমের পর্দা টেনে তাঁকে জোরপূর্বক বলৎকার করে। চিৎকার দিয়ে ওই ছাত্র দৌড়ে বাহিরে চলে যায়। 

বাড়িতে গিয়ে পায়ুপথে ব্যথার কথা করছে বলে তার মাকে জানায়। ছাত্রের মা বিস্তারিত জেনে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে ফোনে জানান। খবর পেয়ে মাদ্রাসা অধ্যক্ষ জাতীয় পরিসেবা নম্বর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে ঘটনা জানান। পরে ‍পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ‍শিক্ষককে না পেয়ে খোঁজার চেষ্টা করে।  পলানোর সময় এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে দোহারের লটাখোলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শিক্ষক সাদিকুর রহমান (স্বাধীন)কে আটক করে পুলিশ দেয়া হয়। 

শনিবার বেলা ১১টায় ভিকটিমের মা নবাবগঞ্জ থানায় এসে এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে বলৎকার বা ধর্ষণ,মামলা রজু হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাদিককে আদালতে প্রেরণ করেছে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। 

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেন, তার প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ঘটনা কখনোই ঘটেনি। ওই শিক্ষকের উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন তিনি। যাতে ভবিষ্যতে অন্যরাও সাবধান হয়।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, ভিকটিমের মা ও মাদ্রাসা অধ্যক্ষসহ কয়েকজন শিক্ষক থানা উপস্থিত হয়ে মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন