সংবাদ শিরোনাম

সিরাজদিখানে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামী ছিনতাই

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি.

মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে বিচার সালিশ চলাকালে আবুল হোসেন ওরফে পুড়া আবুল নামে এক হত্যা মামলার আসামিকে আটক করে পুলিশ। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আসামীর লোকজন পুলিশের কাছ থেকে ওই আসামিকে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। 

আজ শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের চরপানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, সম্প্রতি চরপানিয়া গ্রামের কুটু মিয়া গং ও আবুল গংদের সাথে সম্পত্তি নিয়ে ওই গ্রামে মারিমারি ঘটনা ঘটে । আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে চরপনিয়া গ্রামের আব্বাস আলী মাতবরের বাড়ীতে সেই মারামারির বিচার শালিশ বসে। 

বিচার সালিশ চলাকালীন সময় সিরাজদিখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে ৭জন পুলিশ নিয়ে হত্যা মামলার আসামি আবুলকে আটক করে। কিছুক্ষণ পর উপ-পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামানের হাত থেকে আসামিকে ছিনিয়ে নেয় আসামীর লোকজন। বিচার সালিশের সভাপতিত্ব করেন বালুচর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমিন উদ্দিন চৌধুরী ও পরিচালনা করেন ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ফারুক হোসেন।

বিচার সালিশের সভাপতি মো. আমিন উদ্দিন জানান, ২০১৫ সালে শ্যামলি নামে এক শিশু খুন হয়। সেই খুনের মামলার ২নং আসামী ছিল আবুল। বিচার চলাকালিন হঠাৎ করে পুলিশ এসে আবুলকে আটক করে কিন্তু কিছুক্ষণ পর আবুলের আত্মীয়-স্বজনরা পুলিশের কাছ থেকে জোড় করে আবুলকে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। 

বিচারের পরিচালক মো.ফারুক হোসেন জানান, আবুল এতো বছর পলাতক ছিল ,বিচারে আসবে তাও আমরা জানি না, বিচারের মাঝপথে পুলিশ এসে আবুলকে আটক করে। পরে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করে আবুলকে ছিনিয়ে নেয়।

সিরাজদিখান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. কামুরুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা হত্যা মামলার আসামীর অবস্থান জানতে পারি। তবে অনেক লোকজন থাকার কারণে আমরা আটক করতে পারিনি। আসামী আবুল আমাদের দেখে পালিয়ে যায়।

সিরাজদিখান থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু বকর জানান, গোপন সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ গিয়েছিল কিন্তু পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে আসামী আবুল পালিয়ে যায়। 

 

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন