ঢাকার নবাবগঞ্জে গ্রামের একমাত্র রাস্তা দখল করে দেয়াল নির্মানের অভিযোগ উঠেছে প্রবাসী মামুন ও ভোলার বিরুদ্ধে।
উপজেলার কৈলাইল হানাফিয়া দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন কৈলাইল কেন্দ্রীয় মসজিদ সামনের পাকা রাস্তা হতে কৈলাইল বড়হাটি মুক্তার হোসেনের বাড়ি পর্যন্ত সরকারি মাটির রাস্তা দখল করে দেয়াল নির্মানের এ অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
ঐ গ্রামের মৃত মো. সারুর ছেলে প্রবাসী মামুন ও ভুলু ওরফে ভোলা রাস্তা দখল করে এ দেয়াল নির্মান করেছেন। এলাকাবাসী বাঁধা দিলে তাতে তারা কর্ণপাত করছেন না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।
উল্টো প্রবাসী ভোলার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম দেয়াল নির্মানে বাঁধা দেয়ার বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন বলেওজানা গেছে।
এলাকাবাসী জানান, বড়হাটি গ্রামের পশ্চিম অংশের শতাধিক পরিবার পানিবন্দী। এ কাঁচা রাস্তাটি ঐ গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র রাস্তা। রাস্তাটির বাকি অংশ কৈলাইল বড়হাটি হয়ে পশ্চিম কৈলাইল আব্দুল জলিলের বাড়ি সংলগ্ন পাকা রাস্তায় গিয়ে মিশেছে। একমাত্র কাঁচা রাস্তাটি বন্ধ হলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাবে।
এলাকাবাসী আরও জানান, রাস্তাটি এ গ্রামের দেড় শতাধিক পরিবারের ৫ শতাধিক মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা। গ্রামের পশ্চিম দিকের কৃষি জমির ফসল এ রাস্তা দিয়ে নেয়া হয়। তাছাড়া কৃষি পণ্য পরিবহন সহ স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, মসজিদের মুসল্লি সহ বাজারে যাতায়াতের রাস্তাটি প্রতিদিনের চলাচলের একমাত্র রাস্তা।
স্থানীয় বাসিন্দা দোলোয়ার হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস, আব্দুর রহিম অভিযোগ জানিয়ে বলেন, আমরা এলাকাবাসীর চলাচলের রাস্তা কিছুতেই বন্ধ করতে দেবো না। রাস্তা দখলকারীরা আমাদের হুমকি দিয়ে আসছেন, যেভাবেই হোক তারা দেয়াল নির্মান করবেনই। এতে আমরা শংঙ্কিত।
কৈলাইল ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালতের চেয়ারম্যান ও পরিষদের সদস্য মো. আবু বক্কর জানান, এ ওয়ার্ডের বিগত দুবারের জনপ্রতিনিধি আমি। আমি এ রাস্তার মাটির প্রকল্প এনে এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য রাস্তা করে দিয়েছি। কিন্তু মামুন ও ভোলা রাস্তা দখল করে দেয়াল নির্মান করেছেন। এটা কোন মানুষের কাজ হলো। আমি প্রশাসনে এ বিষয়ে জানাবো।
মামুন ও ভোলার মেঝো ভাই সিরাজের স্ত্রী এবিষয়ে বলেন, এটা রাস্তা নয়, এটা আমাদের জায়গা। আমরা আমাদের জায়গায় দেয়াল নির্মান করছি। দেয়াল নির্মান হলে, প্রয়োজনে পাশের নিচু অংশ মাটি ভরাট করে দেয়া হবে রাস্তার জন্য।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন