দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি.
দোহার উপজেলায় গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে নারিশা ইউনিয়নের ঝনকি গ্রামে মাদক সংক্রান্ত ঘটনার প্রতিবাদ করায় প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের কুপে আহত শেখ সেলিম (৩৫)। এ ঘটনায় নারীসহ তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর বীর মুক্তিযোদ্ধা হেলথ কেয়ারে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
নিহত শেখ সেলিম উপজেলার উত্তর ঝনকি গ্রামের শেখ সোহরাবের ছেলে।
স্বজনরা
জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে মোকছেদ মাঝি,
আতিয়ার মাঝি, মামুন মাঝি ও ফারুকসহ ২০-৩০ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে শেখ সেলিম
ও তার মামা ইস্রাফিলের উপর হামলা করে। এসময় মো. ইস্রাফিল, মো. সেলিম ও
সুমা আক্তার নামে এক নারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তাঁদেরকে প্রথমে দোহার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। অবস্থার অবনিত হলে
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায় চিকিৎসক। ঘটনার ৭দিন পর আজ শনিবার সকালে
সেলিম মারা যায়।
এদিকে সংঘটিত নৃশংস হামলার প্রতিবাদে গত
বুধবার সকালে দোহার উপজেলা সড়কের কালেমা চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় জনসাধারণ।
এ ঘটনায় মামলার বাদী রিসাদ
শিকদার বলেন, পুলিশ ঘটনার ৭দিনেও কোনো আসামী গ্রেফতার করতে পারেনি। তাঁরা
একটি দলের সমর্থক হওয়াতে প্রকাশ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। অবিলম্বে তিনি
এসব খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আলী বলেন, এঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারে
পুলিশ একাধিকবার অভিযান করেও তাঁদেরকে বাড়িতে পায়নি।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন