নিজস্ব প্রতিবেদক.
ঢাকা
জেলা বিএনপি সভাপতি ও ঢাকা-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবু
আশফাক বলেছেন, ৭১ সালের স্বাধীনতা
যুদ্ধের কথা আপনারা ভূলে যাবেন না। সে সময়ে তাঁরা কত মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট
করেছে সেটা সবাই জানেন। জামায়াত কখনো এদেশের নারীদের সম্মান দেয়নি। তারা
আবারো ষড়যন্ত্র করে দেশকে পিছিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করছে। তাঁদের বিরুদ্ধে
ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ঢাকার
দোহার উপজেলার নারিশা গোদাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ঢাকা জেলা
মহিলা দল আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন। ঢাকা জেলা মহিলা দলের সভাপতি শামীমা রাহিম শিলা এতে সভাপতিত্ব করেন।
খন্দকার
আবু আশফাক বলেন, জামায়াত ইসলামী দেশকে তালেবান বানানোর চেষ্টা করছে।
জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশের মা বোনেরা ধর্ষিত হবে। তাঁরা ক্ষমতায় এলে দেশকে
ধর্ষণের রাষ্ট্রে পরিণত করবে। নারীর স্বাধীনতা কেড়ে নিবে। তাই সবাইকে
সাবধান থেকে আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে বিজয়ী করতে হবে। কোনো ভাবেই যাতে
স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ক্ষমতায় আসতে না পারে।
বিএনপির এ
প্রার্থী বলেন, জামায়াতকে ভোট দিলে নাকি বেহেশতের টিকেট পাওয়া যায়.
নাউযুবিল্লাহ,,.। ধর্মের নামে যারা রাজনীতি করে অপব্যাখ্যা দেয় তাঁদের থেকে
দূরে থাকতে হবে।
খন্দকার আশফাক বলেন, ১৭ বছরে
স্বৈরাচারী করে হাসিনার বিদায় হয়েছে পালিয়ে। আর বর্তমান একটি দল নির্বাচন
বানচালের পায়তারা করছে। তাঁদেরকেও জনগণ সেই শিক্ষা দিবে।
তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের হুঁশিয়ারী দিয়ে বলেন, দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা অবৈধ
অর্থ উর্পাজনের রাস্তা খুঁজছেন তারা আগেই দল থেকে চলে যান। শান্ত দোহার
নবাবগঞ্জকে অস্থির করে তুলবেন না। কোনো বালু লুটকারী ও দখলবাজি এ এলাকায়
চলবে না। তিনি সবাইকে এসকল চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার আহবান জানান।
সমাবেশে
আরও উপস্থিত ছিলেন দোহার উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ পারভেজ,
আবুল হাসনাত, বিএনপি নেতা দেলোয়ার শিকদার, নারী নেত্রী শম্পা আক্তার, মিনু
আক্তার, রুবিনা সুলতানা প্রমুখ।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন