দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি.
ঢাকার
দোহারে আওয়ামী লীগের প্রায় ৫ সহস্রাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক ধানের শীষের
প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাককে সমর্থন দিয়ে জনসমাবেশ করেছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ ঘটনার বিরোধীতা করে ওই ইউনিয়ন বিএনপির একাংশ লটাখোলায় মিছিল করেছে।
বুধবার
দুপুর দেড়টায় বিলাশপুরের সভায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার
সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির
সভাপতি ও ঢাকা-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আবু আশফাক।
অনুষ্ঠানে
বিলাশপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি আলাউদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বে
উপজেলার মাহমুদপুর, বিলাশপুর ও সুতারপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের একাংশের
নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আবু আশফাক বলেন, বেগম জিয়া গণতন্ত্রের মা। তিনি
যাতে সুস্থ হয়ে দেশ ও সমাজের মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারেন সেই জন্য দোয়া
চাই।
এসময় তিনি বলেন,
যারা আজ এ আয়োজন করেছে তাঁরা বিগত আওয়ামীলীগ আমলেও নির্যাতিত নিপীড়িত
হয়েছে। সালমান এফ রহমানের ভয়ে সে সময় অনেক আওয়ামীলী কথা বলতে পারেনি। আজ
তারাই এখানে এসেছেন। তিনি সকলের নিকট ধানের শীষে ভোট চান।
তিনি
আরো বলেন, যারা মামলাবাজ, সন্ত্রাস চাঁদাবাজি ও জমি দখল করে তাঁদের সাথে
কোনো আপোষ হবে না। তবে সমাজের ক্লিন ইমেজের মানুষের জন্য বিএনপির দরজা
খোলা।
অনুষ্ঠানের সভাপতি
সাবেক চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা বলেন, বিগত আওয়ামীলীগ আমলে দুটি ইউপি
নির্বাচনে তাঁর বিজয় ছিনিয়ে নেয় নৌকার প্রার্থী। এসবের পিছনে সালমান এফ
রহমান মদদ দিয়েছেন। দোহারের সবই ইউনিয়নে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এমনকি ২০১৪
সালের নির্বাচনের পরদিন তার সমর্থক তিন স্বজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে নৌকার
সমর্থকরা। আজো সে বিচার পায়নি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। তিনি আগামী নির্বাচনে
খন্দকার আশফাককে ধানের শীষের ভোট দিয়ে দোহারের সাধারণ মানুষের শান্তি
নিশ্চিত করার আহবান জানান।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য চয়ন মোল্লা, দোহার
পৌর সভাপতি এমএ কুদ্দুস, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম বেপারী, ইয়ানুস আলী খান,
তোফাজ্জল হোসেন, আবুল হাসনাত, কমিশনার মো. আলী, সাবেক আওয়ালীগ নেতা ফারুক
পেশকার, যুবদল নেতা খলিলুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা জালাল উদ্দিন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন