নিজস্ব প্রতিবেদক.
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার আগে পল্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মানদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএএফ)।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যায়। এতে বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সংগঠনটি এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রকৌশলীদের মতে ফেরিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকা এবং বিশেষ করে পল্টুনে রেলিং না থাকার বিষয়টি এ দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হতে পারে। রেলিং থাকলে বাসটি সরাসরি নদীতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো বলে মনে করেন তারা।
বিশেষজ্ঞদের উদ্বৃতি দিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, পন্টুনে রেলিং না থাকা, অদক্ষ চালক, ফেরিতে যানবাহন ওঠানামার সময় নিরাপত্তা তদারকি জোরদার না থাকাও এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। বাসের ৪-৫ জন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও বাকিদের ভাগ্য এখনো অনিশ্চিত।
এসএসটিএফ’র সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা, দ্রুত উদ্ধার অভিযান জোরদার, নিখোঁজদের সন্ধানে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে ফেরিঘাটগুলোতে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা রেলিং স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
ফেরিতে শক্ত ও মানসম্মত সুরক্ষা রেলিং থাকা বাঞ্ছনীয়, যা যানবাহন ওঠানামার সময় নিয়ন্ত্রণ হারালেও সরাসরি নদীতে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন