সংবাদ শিরোনাম

সিংগাইরে লীজ নেয়া চান্দিনা ভিটিসহ সরকারি জমি বিক্রির অভিযোগ



সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি.

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চারিগ্রাম বাজারে সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে একসনা লীজ নেয়া পেরী-ফেরী ভুক্ত চান্দিনা ভিটি বিক্রি করে দেড় কোটি টাকার ওপরে হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সাইদুর রহমান খান তুহিনের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে ওই বাজারের ব্যবসায়ি ও এলাকাবাসির মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

 অনুসন্ধানে জানা গেছে,উপজেলার চারিগ্রামের মো.সাইদুর রহমান খান তুহিন, বড় চারিগাঁও মৌজার আর এস ৪০৩ দাগের আধা শতাংশ চান্দিনা ভিটি সরকারি ভাবে লীজ নিয়ে আশে-পাশের আরো প্রায় ১ শতাংশ সরকারি জায়গা দখল করে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগদখল করে আসছিলো। এরই মধ্যে তিনি চারিগ্রাম বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান ও আলমগীর হোসেনের কাছে লীজকৃত চান্দিনা ভিটি ও দখলকৃত সরকারি জায়গা ১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বিক্রি করছে বলে জানা যায়।

যার কারনে বাজারে ব্যবসায়িদের মধ্যে চলছে নানা কানাঘষা। স্থানীয় মনিরুজ্জামান ও আলমগীর হোসেন ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকায় সরকারি জায়গা কিনে দোকান নির্মাণ কাজ শুরু করে ৭টি দোকানের পজিশন করায় উত্তর চারিগ্রাম বাসীর হাট-বাজারে আসা যাওয়ার একমাত্র সহজ রাস্তাটি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা। 

চারিগ্রাম বাজারের জুয়েলারি ব্যবসায়ী মজিবর রহমানসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয়রা জানান,তুহিনের কাছ থেকে লীজের জায়গা মনিরুজ্জামান ও আলমগীর হোসেন ক্রয় করে রাস্তার জায়গা দখল করে ৭টি দোকানের পজিশনের নির্মাণ কাজ করছেন। 

ক্রেতা চারিগ্রাম ইউনিয়ন শাখা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন লীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান লীজকৃত জায়গা ক্রয় করার কথা অস্বীকার করে জানান, তুহিন আমার বন্ধু। ও দোকান ওঠিয়ে ভাড়া দিবে। আমাকে দেখাশুনা করতে বলেছে। এর বাহিরে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি। 

 অপর ক্রেতা আলমগীর হোসেন ৭০ লাখ টাকা দিয়ে তুহিনের কাছ থেকে সরকারি লীজকৃত জায়গা ক্রয় করার কথা স্বীকার করেন। 

 লীজ গ্রহীতা মালিক সাইদুর রহমান খান তুহিন বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জায়গা আমারই আছে। আমি খন্ড খন্ড করে দোকান বানিয়ে ভাড়া দিবো। 

এ ব্যাপারে জানতে স্থানীয় ভূমি অফিসের উপ-সহকারি ভূমি কর্মকর্তা মাহামুদুল হাসান আজমের মুঠো ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

 এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো.কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, একসনা লীজ নেয়া জায়গা কোন মতেই হস্তান্তর যোগ্য নয়। যদি এরকম হয়ে থাকে খোঁজ নিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন